iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

হারানো ও চুরি যাওয়া ৩৫টি মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল পশ্চিম আগরতলা থানার পুলিশ

আগরতলা, ১০ মে : হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে ধারাবাহিক সাফল্য দেখিয়ে চলেছে ত্রিপুরা পুলিশ। আধুনিক প্রযুক্তি ও মানব গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে অভিযোগ দায়েরের অল্প সময়ের মধ্যেই বহু মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হচ্ছে পুলিশ। এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রবিবার পশ্চিম আগরতলা থানায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া মোট ৩৫টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া মোবাইলগুলোর মধ্যে ছিল আইফোনসহ বিভিন্ন নামী সংস্থার দামি স্মার্টফোন। দীর্ঘদিন ধরে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল ফিরে পেয়ে মালিকদের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি।

পশ্চিম আগরতলা থানার ওসি  রানা চ্যাটার্জী জানান, সিইআইআর পোর্টালের মাধ্যমে মোবাইল ফোনগুলোর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পাশাপাশি মানব গোয়েন্দা তথ্যের সাহায্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে মোবাইলগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অভিযোগ দায়েরের প্রায় এক মাসের মধ্যেই অধিকাংশ মোবাইল উদ্ধার করা গেছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, মোবাইল হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে দ্রুত থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করলে মোবাইল উদ্ধারের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তাই সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

নিজেদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি মোবাইলের মালিকরা। তাঁদের মতে, মোবাইল ফোন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং ব্যক্তিগত তথ্য, নথি ও স্মৃতির ভাণ্ডার। তাই হারানো মোবাইল ফিরে পাওয়া অত্যন্ত স্বস্তির বিষয়।

তবে মোবাইল উদ্ধারের এই সাফল্যের মাঝেও একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। মোবাইলগুলো উদ্ধার হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চুরির সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কীভাবে মোবাইলগুলো একাধিক হাত ঘুরে বিভিন্ন স্থানে পৌঁছায় এবং পরে উদ্ধার হয়, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

তবুও দ্রুত সময়ে হারিয়ে যাওয়া সম্পদ প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ত্রিপুরা পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও আরও সফল হবে বলেই আশা করছেন সাধারণ মানুষ।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *