iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

সংখ্যালঘুদের শিক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৯ জুলাই : সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। বুধবার আগরতলায় প্রজ্ঞা ভবনে সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতরের উদ্যোগে আয়োজিত ঋণ প্রদান অনুষ্ঠানে ‘সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রকল্প-২০২৬’-এর উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া, দফতরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক এবং বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সমাজের সব অংশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস’-এর আদর্শের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকই দেশের সম্পদ। তাই সকলকে সঙ্গে নিয়েই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বাস ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকার যত সুযোগ-সুবিধাই দিক না কেন, মানুষের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা না থাকলে সেই উদ্যোগ সফল হয় না। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ বজায় রয়েছে এবং সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ত্রিপুরায় প্রায় ১৬ শতাংশ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাঁদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সরকারের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের পেশাগত শিক্ষার জন্য প্রত্যেককে এক লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি মেডিকেল শিক্ষায় অধ্যয়নরত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৫৪ জন ছাত্রছাত্রীকে পূর্বের ৫ লক্ষ টাকার পরিবর্তে ১০ লক্ষ টাকা করে ঋণ প্রদান করা হয়।

এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একটি ঋণ শুধু একজন মানুষের জীবনই পরিবর্তন করে না, সেই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ে পুরো পরিবার এবং সমাজের ওপর। তাই সরকার এমন প্রকল্পের মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যুব-যুবতীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে এবং উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের হাতে আর্থিক সহায়তা ও ঋণের নথি তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *