iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

পরিমাণের বাইরে গেলে করলা শরীরের জন্য ক্ষতির কারণও হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক, ২৩ জুন।। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অনেকেই নিয়মিত করলা বা উচ্ছে খেয়ে থাকেন। কেউ জুস করে, কেউ আবার ভাজি বা তরকারি হিসেবে এটি খাদ্যতালিকায় রাখেন। গরমের সময় শরীর ঠান্ডা রাখার জন্যও অনেকে এই সবজি গ্রহণ করেন। নিঃসন্দেহে করলা একটি উপকারী সবজি, তবে পরিমাণের বাইরে গেলে এটি শরীরের জন্য ক্ষতির কারণও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত করলা খাওয়ার ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। নিচে বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো—

রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত কমে যাওয়া

করলার সবচেয়ে পরিচিত উপকার হলো এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তবে ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে নিয়মিত অতিরিক্ত করলা বা এর রস খেলে রক্তে শর্করা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক নিচে নেমে যেতে পারে।

এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় হাইপোগ্লাইসেমিয়া। এতে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, ঘাম, কাঁপুনি, বুক ধড়ফড় এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে।

লিভারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব

করলায় থাকা ‘মোমোরচারিন’ নামের একটি উপাদান অতিরিক্ত গ্রহণে লিভারের এনজাইমের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে।

দীর্ঘ সময় বেশি করলা খাওয়ার অভ্যাস লিভারে প্রদাহ তৈরি করতে পারে এবং ধীরে ধীরে লিভারের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। চিকিৎসকেরা একে লিভার টক্সিসিটি হিসেবেও উল্লেখ করেন।

পেটের সমস্যা ও ডায়রিয়ার ঝুঁকি

করলায় প্রচুর ফাইবার ও প্রাকৃতিক ল্যাক্সেটিভ উপাদান থাকে, যা হজমে সহায়ক হলেও অতিরিক্ত গ্রহণে বিপরীত প্রভাব ফেলে।

এর ফলে পেটে ব্যথা, গ্যাস, বদহজম এবং বারবার পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের পেট সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি।

গর্ভবতী নারীদের জন্য সতর্কতা

গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত করলা খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। করলার কিছু সক্রিয় উপাদান জরায়ুর সংকোচন ঘটাতে পারে, যা গর্ভাবস্থায় রক্তপাত বা জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়।

তাই গর্ভবতী নারীদের করলা খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সব মিলিয়ে, করলা একটি উপকারী সবজি হলেও তা সঠিক পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে যেকোনো খাবারই পরিমিতভাবে গ্রহণ করা উচিত—এটাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর উপায়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *