iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

কলেজগুলিকে রাষ্ট্রীয় চরিত্র গঠনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর

আগরতলা, ৫ আগস্ট: ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গঠনের লক্ষ্যে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও যুগোপযোগী ও আধুনিক রূপে গড়ে তোলার উপর জোর দিলেন ত্রিপুরার উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মণ। তাঁর মতে, শুধুমাত্র ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে কলেজগুলিকে জ্ঞানচর্চা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং রাষ্ট্রীয় চরিত্র গঠনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

বুধবার আগরতলায় রাজ্য অতিথিশালায় উচ্চশিক্ষা দফতরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘উচ্চ শিক্ষা সংলাপ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র-প্রতিনিধিরা অংশ নেন এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা-সহ দফতরের অন্যান্য আধিকারিকরা।

উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রেও ব্যাপক পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টি এবং শিক্ষাকে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, রাজ্যের প্রতিটি কলেজ ক্যাম্পাসকে আধুনিক পরিকাঠামোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নত শ্রেণিকক্ষ, ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ, গবেষণাগার, গ্রন্থাগার ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসারের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের জন্য আরও উন্নত পরিবেশ তৈরি করা হবে। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জাতীয় চেতনা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

কিশোর বর্মণ বলেন, বর্তমান সময়ে শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক শিক্ষা যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী জ্ঞান, উদ্ভাবনী চিন্তাধারা এবং দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে, যাতে তাঁরা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হয়ে উঠতে পারে। সেই লক্ষ্যেই উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-প্রতিনিধিরাও কলেজগুলির সার্বিক উন্নয়ন, পরিকাঠামো সম্প্রসারণ, কর্মমুখী শিক্ষা, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি এবং আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরির বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। দফতরের পক্ষ থেকে ছাত্রদের পরামর্শ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে বলেও জানানো হয়।

‘উচ্চ শিক্ষা সংলাপ’ কর্মসূচিকে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সরকারের সরাসরি মতবিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে অভিহিত করা হয়। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *