iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

দক্ষিণ ভারতীয়দের কাছেও পূজিতা হাওড়ার হাজারহাত কালীমাতা

হাওড়া, ৪ নভেম্বর :  দেবী এখানে নীলবর্ণের। বাহন সিংহের ওপরে তাঁর ডান পা। দক্ষিণ ভারতীয়দের কাছেও পূজিত হন হাওড়ার এই কালীপ্রতিমা। শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের শুক্রবারে পুজো দিয়ে থাকেন  দক্ষিণ ভারতীয় পরিবার। হাওড়ার হাজারহাত কালী।

শিবপুর ওলাবিবিতলায় হাজারহাত কালীমন্দিরের সূচনা হয় ১৮৮০ সালে। লোকশ্রুতি, এখানকার মুখোপাধ্যায় বাড়ির ছেলে তান্ত্রিক আশুতোষ মুখোপাধ্যায় মা চণ্ডীর স্বপ্নাদেশে কালীর ওই রূপ দেখতে পান।
চন্ডীপুরাণ অনুযায়ী অসুর বধের সময়ে দেবী দুর্গা অনেক রূপ ধারণ করেছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম তাঁর হাজার হাতের রূপ। কাত্যায়নী, মহামায়ার পরেই অসুর নিধন করতে আসেন হাজার হাত রূপী মা কালী। চন্ডীর ২২-তম অধ্যায়ে উল্লেখ আছে এই রূপের।
জানা যায়, মন্দির তৈরির সাধ থাকলেও সামর্থ ছিল না তান্ত্রিক আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের। সেসময়ে মন্দির নির্মাণে এগিয়ে আসেন স্থানীয় হালদার পরিবার। এগিয়ে আসেন অন্যান্য স্থানীয় বাসিন্দারাও। বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন প্রতিষ্ঠা হয় হাজারহাত কালীমন্দির।
এখানে পুজো হয় তন্ত্রমতে। কিন্তু বলি প্রথা ছিল না কোনওদিনই। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৬টা, দুপুর ২টা ও রাত সাড়ে ৮টায় পুজো হয়। আর প্রসাদ বিতরণ হয় বিকেলে ও রাতে আরতির পর। নিত্যপূজার পাশাপাশি বুদ্ধ পূর্ণিমায় প্রতিষ্ঠা দিবসে ও কালীপুজোর দিন হয় বিশেষ পুজো। এই মন্দিরের সেবায়েত বংশানুক্রমে আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যরাই।
লোকশ্রুতি, দেবীর হাজার হাত নাকি গোনা যায় না। এক ব্যক্তি তা করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। স্থানীয়দের মতে, এই মন্দির খুবই জাগ্রত। ভক্তিভরে কিছু চাইলে মা কালী কাউকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *