iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

জিবিপি-তে আরও আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা, চালু ১৮ শয্যার আইসিইউ

আগরতলা, ২১ সেপ্টেম্বর : আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে আরও একধাপ অগ্রগতি। হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো নতুন আইসিইউ এবং সেন্ট্রাল স্টেরাইল সার্ভিস বিভাগ। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা এই নতুন পরিষেবার উদ্বোধন করেন। নতুন আইসিইউতে রয়েছে মোট ১৮টি শয্যা। এর ফলে সুপার স্পেশালিটি ব্লকে আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবার জন্য মোট বেডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৭৪টি।

নতুন এই পরিকাঠামো চালু হওয়ায় জিবিপি হাসপাতালের জটিল ও সংকটাপন্ন রোগীদের চিকিৎসা পরিষেবার পরিধি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। শুধু জিবিপি হাসপাতাল নয়, রাজ্যের অন্যান্য সরকারি হাসপাতালগুলিকেও আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা পরিকাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্যে সুপার স্পেশালিটি চিকিৎসা পরিষেবা সম্প্রসারিত হওয়ার ফলে রোগীদের অন্যত্র রেফার করার প্রবণতা কমেছে। বর্তমানে রেফারের সংখ্যা প্রায় ১৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষ যাতে জিবিপি হাসপাতালে এসে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আধুনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই পরিকাঠামো সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

ডাঃ সাহা বলেন, রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে শয্যা এবং আইসিইউ-এর চাহিদাও ক্রমশ বাড়ছে। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। সোমবার যে আধুনিক শয্যা ও চিকিৎসা পরিকাঠামো চালু করা হয়েছে, তা উন্নত মানের এবং কর্পোরেট হাসপাতালের পরিষেবার সঙ্গে তুলনীয় বলেও দাবি করেন তিনি।

স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর পাশাপাশি রাজ্যে মেডিকেল শিক্ষার ক্ষেত্রেও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বর্তমানে আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজে প্রায় ২০০টি মেডিকেল আসন রয়েছে। আগামী দিনে আরও ৫০টি আসন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে আরও বেশি সংখ্যক চিকিৎসক তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। এমবিবিএস ও পিজি কোর্স সম্পন্ন করা চিকিৎসকদের রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টিং দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মাধ্যমে রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকাতেও চিকিৎসক পরিষেবা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন চিকিৎসকদের উদ্দেশে রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদনও জানান মুখ্যমন্ত্রী। আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উন্নত পরিকাঠামোর পাশাপাশি রোগীদের প্রতি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্তে, বিধায়ক মিনা রানি সরকার, আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল, জিবিপি হাসপাতালের সুপারসহ স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *