iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

ইন্দ্রনগরে নেশার আসর ও তোলা আদায়ের অভিযোগ, থানায় এলাকাবাসীর ডেপুটেশন

আগরতলা, ১৮ আগস্ট  : আগরতলা শহরের ইন্দ্রনগর এলাকায় কংগ্রেস ব্লক সভাপতি সঞ্জীব দে-র বাড়িতে রাতের অন্ধকারে নেশার আসর বসানো এবং তাঁর ভাই সুজিত দে-র বিরুদ্ধে ঠিকেদারসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়মিত তোলা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এলাকাবাসীদের অভিযোগ, ইন্দ্রনগর এলাকায় সঞ্জীব দে-র বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরেই রাতের বেলা বহিরাগতদের আনাগোনা এবং নেশার আসর বসার ঘটনা চলছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির আশপাশে অপরিচিত ব্যক্তিদের ভিড় বাড়ে বলেও অভিযোগ। এর ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মহিলা ও বয়স্কদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

অন্যদিকে, সঞ্জীব দে-র ভাই সুজিত দে-র বিরুদ্ধে স্থানীয় ঠিকেদার এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়মিত তোলা আদায়েরও অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিবাদ করতে গেলে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়। ফলে ভয়ে অনেকেই এতদিন প্রকাশ্যে মুখ খুলতে পারেননি।

স্থানীয়দের বক্তব্য, বিষয়টি নিয়ে এর আগেও জিবি ফাঁড়ির পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ জানানোর পরও পরিস্থিতির বিশেষ পরিবর্তন হয়নি বলে তাঁদের দাবি। ফলে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়তে থাকে এলাকায়।

শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার বাধ্য হয়ে ইন্দ্রনগর এলাকার একদল বাসিন্দা এনসিসি থানায় গিয়ে ওসির সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়ে এলাকায় রাতের নেশার আসর বন্ধ করা, তোলা আদায়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এলাকাবাসীদের দাবি, পুলিশ যেন অভিযোগগুলি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। একইসঙ্গে ইন্দ্রনগর এলাকায় নিয়মিত পুলিশি নজরদারি ও রাতের টহল বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সঞ্জীব দে ও তাঁর ভাই সুজিত দে-র বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *