iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

সেকেরকোটে মালাবতী চা বাগানে অজ্ঞাত যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

আগরতলা, ১৭ আগস্ট  : সেকেরকোটের মালাবতী চা বাগানে অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার আমতলি থানাধীন মালাবতী চা বাগানের রেল ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত্যু ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন ও রহস্য দানা বেঁধেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ঘটনাটি নিছক আত্মহত্যা নয়, এর পেছনে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও পুলিশ তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে চা বাগানের রেল ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশের জঙ্গলে জনৈক যুবককে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন। বিষয়টি জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমে যায়। মৃত যুবককে এলাকার কেউ চিনতে পারেননি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তাঁদের ধারণা, ওই যুবক সম্ভবত এলাকার বাসিন্দা নন।

ঘটনার খবর দেওয়া হয় আমতলি থানায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গোটা এলাকা পরিদর্শন করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন তথ্য ও আলামত সংগ্রহের পাশাপাশি মৃত যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টা শুরু করে পুলিশ।

তবে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি দেখে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। তাঁদের দাবি, যেভাবে যুবকের মৃতদেহটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে, তা স্বাভাবিক আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, মৃতের পা মাটির সঙ্গে স্পর্শ করা অবস্থায় ছিল। পাশাপাশি মৃতদেহটি সোজাভাবে না ঝুলে কিছুটা তির্যক অবস্থায় ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। মৃতের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ছিল এবং দেহের কাছেই একটি জুতো পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এইসব বিষয়কে কেন্দ্র করেই স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, অন্য কোথাও ওই যুবককে হত্যা করার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্য চা বাগানের জঙ্গলে এনে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে স্থানীয়দের এই সন্দেহের সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি।

এদিকে আমতলি থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ বর্তমানে মৃত যুবকের পরিচয় শনাক্ত করার পাশাপাশি কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে এবং মৃত্যুর আগে তিনি কোথায় ছিলেন, সে বিষয়েও তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের অগ্রগতির পরই এই রহস্যের জট খুলবে বলে মনে করছে পুলিশ।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *