iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

ইঞ্জিনিয়াররাই বিকশিত ভারতের মূল কারিগর : মন্ত্রী কিশোর বর্মণ

আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২০৪৭ সালের বিকশিত ভারত নির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান কারিগর হলেন দেশের ইঞ্জিনিয়াররা। তাঁদের মেধা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং বাস্তবায়নের ক্ষমতার উপর নির্ভর করেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে। মঙ্গলবার ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উপলক্ষ্যে রাজধানী আগরতলায় আয়োজিত প্রভাত ফেরিতে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মণ।

ভারতের অন্যতম রূপকার, বাস্তুকার তথা ভারতরত্ন স্যার মোক্ষগুণ্ডম বিশ্বেশ্বরাইয়ার জন্মদিন উপলক্ষ্যে প্রতিবছর দেশে ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উদযাপন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ত্রিপুরাতেও দিনটি বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়। রাজ্য সরকারের পূর্ত দফতর এবং ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স (ইন্ডিয়া)-র ত্রিপুরা রাজ্য শাখার যৌথ উদ্যোগে এদিন সকালে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য প্রভাত ফেরির আয়োজন করা হয়।

উজ্জয়ন্ত প্রাসাদের সামনে থেকে প্রভাত ফেরিটি শুরু হয়। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পথ পরিক্রমা করে এতে অংশগ্রহণকারী ইঞ্জিনিয়ার ও সংশ্লিষ্টরা ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার গুরুত্ব এবং দেশের উন্নয়নে ইঞ্জিনিয়ারদের অবদানের বার্তা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মণ সহ পূর্ত দফতর ও ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স (ইন্ডিয়া)-র ত্রিপুরা রাজ্য শাখার কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন স্তরের ইঞ্জিনিয়াররা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেন, দু’দিন পরেই দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার পুজো। বিশ্বকর্মাকে তিনি প্রথম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রাচীনকাল থেকেই ভারতবর্ষ জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও নির্মাণকৌশলের ক্ষেত্রে বিশ্বের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এসেছে। ভারতবর্ষই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কিশোর বর্মণের বক্তব্য, ইঞ্জিনিয়ারদের কল্পনাশক্তি ও সেই কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দক্ষতা দেশের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করেছে। স্বাধীনতার পর থেকে নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে যোগাযোগ, পরিকাঠামো, শিল্প, বিদ্যুৎ, পরিবহণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়াররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নযাত্রায় ইঞ্জিনিয়ারদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অতীতের সাফল্যে থেমে থাকলে চলবে না। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও নতুন প্রযুক্তি, নতুন চিন্তাভাবনা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি বিকশিত দেশে পরিণত করার যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণ ছাড়া বিকশিত ভারতের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়। আর এই কাজের নেপথ্যে থেকে পরিকল্পনা, নকশা, প্রযুক্তি প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছেন ইঞ্জিনিয়াররা। তাই বিকশিত ভারতের নির্মাণে ইঞ্জিনিয়ারদেরই অন্যতম মূল কারিগর হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিন শুধু প্রভাত ফেরির মধ্যেই ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উদযাপন সীমাবদ্ধ ছিল না। জাতীয় ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উপলক্ষ্যে পূর্ত দফতর এবং ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স (ইন্ডিয়া)-র ত্রিপুরা শাখার উদ্যোগে আরও একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দেশের উন্নয়নে ইঞ্জিনিয়ারদের অবদান, প্রযুক্তির গুরুত্ব এবং আগামী প্রজন্মের কাছে ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার সম্ভাবনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

প্রভাত ফেরিকে কেন্দ্র করে এদিন রাজধানীতে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে ইঞ্জিনিয়ারদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। দেশের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেই এদিনের কর্মসূচি শেষ হয়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *