iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

বকেয়া ইস্যুতে ত্রিপুরা জুটমিলে উত্তেজনা, ছয় মাসের সময়সীমা বেঁধে দিল আদালত

আগরতলা, ৪ এপ্রিল : ত্রিপুরা জুটমিলের শ্রমিক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া সমস্যা নিয়ে বড় নির্দেশ দিল উচ্চ আদালত। আগামী ছয় মাসের মধ্যে সমস্ত বকেয়া পরিশোধ করতে জুটমিল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শনিবার এই তথ্য জানান ত্রিপুরা জুটমিল শ্রমিক ইউনিয়ন তথা শ্রমিকদের যৌথ কমিটির কনভেনার ধনমণি সিংহ।

এদিন জুটমিলের শ্রমিক, কর্মচারী ও পেনশনাররা একত্রিত হয়ে একটি মিছিল বের করেন। মিছিল শেষে তাঁরা জুটমিল কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁদের বকেয়া দ্রুত পরিশোধের দাবিতে একটি পুনঃআকর্ষণপত্র দাখিল করেন। এই কর্মসূচি নেওয়া হয় ত্রিপুরা জুটমিল শ্রমিক ইউনিয়নের সম্মেলন এবং পেনশনার্স ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সাধারণ অধিবেশনের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

তবে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ রিসিভ কপি দিতে অস্বীকার করায় জুটমিল চত্বরে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করেন এবং শেষপর্যন্ত কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্রের প্রাপ্তি স্বীকার করতে সম্মত হয়।

ধনমণি সিংহ জানান, গত ৩০ মার্চ উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জুটমিল কর্তৃপক্ষ প্রধান বিচারপতির কাছে একটি হলফনামা জমা দিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সমস্ত কর্মচারীর বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়াও, ২০১০ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে যারা অবসর নিয়েছেন, সেই সমস্ত পেনশনারদের বকেয়া আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে পরিশোধ করার কথাও জানানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কর্তৃপক্ষ বকেয়া পরিশোধের জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে আগামী ৫ মে মামলার পরবর্তী শুনানির দিনে আদালতে পুনরায় হলফনামা দাখিল করতে হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে জুটমিলে মোট কর্মচারীর সংখ্যা ছিল ১,৬৩৭ জন। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪০৭ জনের বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আরও ৪২৮ জন কর্মচারীকে বকেয়া দেওয়ার কথা রয়েছে। বাকি ৭০৩ জন শ্রমিক-কর্মচারীর বকেয়া আগামী ছয় মাসের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *