iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

মহারানির ওয়ারিং বাড়িতে গুলি, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম তিপ্রা মথার

আগরতলা, ২৯ সেপ্টেম্বর : ভিলেজ কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোমতী জেলার উদয়পুর মহকুমার মহারানির ওয়ারিং বাড়ি এলাকায় গুলি চালনার ঘটনাকে পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করল তিপ্রা মথা। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি। মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে ডেপুটেশন দিয়ে এই দাবি জানায় তিপ্রা মথার প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার তিপ্রা মথার বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মার নেতৃত্বে নয় সদস্যের প্রতিনিধি দল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব অনুরাগ সেনের সঙ্গে দেখা করে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন টিটিএএডিসির মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য রুনিয়েল দেববর্মা, বিধায়ক বিশ্বজিৎ কলই, এমডিসি সুরজ দেববর্মা, জিতেন্দ্র দেববর্মা, প্রাথমিত দেববর্মা-সহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রায় ২০ মিনিট ধরে মহারানওলির ওয়ারিং বাড়িতে গুলি চালনার ঘটনা এবং নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ডেপুটেশন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা অভিযোগ করেন, গুলি চালনার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। তাঁর দাবি, কয়েকদিন আগেই একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে অভিযুক্তরা ওয়ারিং বাড়ি এলাকায় বৈঠক করেছিল। ঘটনার সঙ্গে জড়িত একাধিক ব্যক্তির নাম স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

রঞ্জিত দেববর্মার বক্তব্য, ভিলেজ কমিটি নির্বাচন চলাকালীন ছয়টি গাড়িতে করে একদল দুষ্কৃতী বুথ কেন্দ্রে ঢুকে গুলি চালানোর মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। অথচ ঘটনার ১২ ঘন্টা পরেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়নি। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর কথায়, “ছয়টি গাড়িতে এসে বুথ কেন্দ্রে ঢুকে গুলি চালাল, অথচ পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করতে পারল না—এটা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।”

তিপ্রা মথার পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে হবে। এই ক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টার সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে দলটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।

রঞ্জিত দেববর্মা বলেন, রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। তাঁর দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। তিনি বলেন, “আমাদের যেন আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা না হয়।”

এদিকে, গুলি চালনার ঘটনায় পুলিশ সুপার, ওসি এবং এসডিপিও-সহ পুলিশ আধিকারিকরা আহত হওয়ার প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে রঞ্জিত দেববর্মা বলেন, পুলিশই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে। তবে পুলিশ আধিকারিকদের আহত হওয়ার ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এমন ঘটনা কোনওভাবেই কাম্য নয়।

তিপ্রা মথার অভিযোগ ও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *