iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

পৃথক চুরির মামলায় তিন গ্রেফতার, ল্যাপটপ চুরিতে ধৃত ৮

আগরতলা, ১৭ সেপ্টেম্বর  : পৃথক দুটি চুরির মামলার তদন্তে নেমে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল এনসিসি থানার পুলিশ। এর পাশাপাশি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নেপালি বস্তি এলাকা থেকে ৭৫ বোতল বিলেতি মদ উদ্ধার করে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে লেম্বুছড়া ফাঁড়ির পুলিশ। বৃহস্পতিবার পৃথকভাবে এই দুই অভিযানের কথা জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

এনসিসি থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পৃথক দুটি চুরির মামলার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একটি চুরির ঘটনায় বুধবার এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে নন্দননগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। সংশ্লিষ্ট চুরির ঘটনায় তারও যোগসূত্র রয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

অন্যদিকে, সম্প্রতি এজিএমসি-র একটি অফিস কক্ষ থেকে ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এনসিসি থানার পুলিশ। ধলাই জেলার মনুঘাট এবং ধোধজংনগর থানা এলাকা থেকে পৃথকভাবে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই দুই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চুরির ঘটনার সঙ্গে তাঁদের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এনসিসি থানার ওসি পরিতোষ দাস জানান, এজিএমসি-র অফিস কক্ষ থেকে ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় এর আগে আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নতুন করে আরও দুই অভিযুক্ত গ্রেফতারের পর এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চুরির ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে, লেম্বুছড়া ফাঁড়ির পুলিশ বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেপালি বস্তি এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের কাছে আগে থেকেই খবর ছিল, ওই এলাকার একটি বাড়িতে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ বিলেতি মদ মজুত করে রাখা হয়েছে। সেই খবরের ভিত্তিতে বাড়ির মালিক বিশাল প্রধানের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশি অভিযানে বাড়ি থেকে মোট ৭৫ বোতল বিলেতি মদ উদ্ধার করে পুলিশ। মদগুলি অবৈধভাবে মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের দাবি। ঘটনায় বাড়ির মালিক বিশাল প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মদ বাজেয়াপ্ত করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

লেম্বুছড়া থানার পুলিশ আধিকারিক রঞ্জন বিশ্বাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া মদের উৎস এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *