iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

চোরাই পথে স্বদেশে ফেরার চেষ্টা, মধুপুরে বাংলাদেশি নাগরিকসহ গ্রেফতার ২

বিশালগড় (ত্রিপুরা), ২ সেপ্টেম্বর : অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর ফের চোরাই পথে স্বদেশে ফিরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশি নাগরিক সহ এক ভারতীয়কে গ্রেফতার করেছে মধুপুর থানার পুলিশ। বুধবার দুপুরে ধৃত দুজনকে বিশালগড় মহকুমা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাই পথে সীমান্ত পারাপারের সঙ্গে যুক্ত একটি চক্রের সক্রিয়তার বিষয়টি সামনে এসেছে। ইতিমধ্যে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত বাংলাদেশি নাগরিকের নাম আশীষ চন্দ্র পাল। তিনি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানার অন্তর্গত ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। তদন্তে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পারে, গত ১৮ জুলাই খোয়াই সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন আশীষ চন্দ্র পাল।

ভারতে প্রবেশের পর কিছুদিন অবস্থান করার পর তিনি পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। সেই উদ্দেশ্যে সীমান্তের বৈধ পথ ব্যবহার না করে চোরাই পথে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য যোগাযোগ শুরু করেন তিনি। পুলিশ সূত্রের দাবি, কলকাতার মায়াপুর এলাকার জনৈক ব্যক্তির মাধ্যমে ত্রিপুরার কোনাবন চকবস্তা এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাস নামে জনৈক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ হয় আশীষ চন্দ্র পালের।

অভিযোগ, বাবুল দাসের মাধ্যমেই চোরাই পথে সীমান্ত পারাপারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশি নাগরিক আশীষ চন্দ্র পালকে সীমান্তের কাছে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। বিষয়টি জানতে পেরে মধুপুর থানার পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে আশীষ চন্দ্র পাল এবং বাবুল দাসকে আটক করা হয়।

পরে থানায় নিয়ে গিয়ে দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ভারতে প্রবেশ, অবস্থান এবং পুনরায় বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে বলে জানা গেছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য খতিয়ে দেখছে।

বুধবার প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ধৃত দু’জনকে বিশালগড় মহকুমা আদালতে সোপর্দ করা হয়। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে মধুপুর থানার পুলিশ।

বিশেষ করে কলকাতার মায়াপুর এলাকার ওই ব্যক্তির ভূমিকা কী ছিল এবং ত্রিপুরায় থাকা বাবুল দাসের সঙ্গে তাঁর কী ধরনের যোগাযোগ রয়েছে, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর বাংলাদেশি নাগরিককে কীভাবে ত্রিপুরা পর্যন্ত পৌঁছতে সহায়তা করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং চোরাই পথে মানুষ পারাপারের সঙ্গে আরও কোনও ব্যক্তি বা দালালচক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা জানতে পুলিশ তদন্ত আরও জোরদার করেছে। এই ঘটনার সূত্র ধরে একটি বৃহত্তর চক্রের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *