iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

আদালত চত্বরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার, সহায়তার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আগরতলা, ১৭ জুন : আগরতলায় সিজেএম আদালত চত্বরে সম্প্রতি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সরকারি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার গভীর রাতে আগরতলায় সিজেএম আদালত চত্বরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনে আদালত চত্বরের ভেতরে থাকা আটটি দোকানঘর এবং বাইরে অবস্থিত একটি ক্লাবঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে বহু ব্যবসায়ীর জীবিকা এক মুহূর্তে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সদর শহর জেলা বিজেপির সভাপতি, ৮ টাউন বড়দোয়ালী মণ্ডল সভাপতি এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত দোকানঘরগুলি ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, ওই দোকানগুলির আয়ই ছিল তাঁদের পরিবারের একমাত্র ভরসা। অগ্নিকাণ্ডে দোকানগুলির সমস্ত মালপত্র, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র পুড়ে যাওয়ায় তাঁরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে প্রকৃত কারণ নির্ধারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি জানান, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে এবং সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির দুর্দশা আমরা উপলব্ধি করছি। সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি আমিও ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করব।” তবে ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডে একটি মিষ্টির দোকান, তিনটি টিফিনের দোকান, একটি জেরক্সের দোকান, একটি টাইপিংয়ের দোকান এবং একটি ভ্যারাইটিজ স্টোর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়। এছাড়া একটি ক্লাবঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই অগ্নিকাণ্ডে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা হতে পারে।

ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। এখন সরকারি সহায়তা কত দ্রুত পৌঁছায়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *