iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

রাজনীতি ছাড়িনি, শিক্ষকতায় ফেরা শুধুই দায়িত্ববোধের কারণে : রেবতী ত্রিপুরা

আগরতলা, ৩ আগস্ট : দীর্ঘদিন পর পুনরায় শিক্ষকতার কাজে যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে যে জল্পনা শুরু হয়েছে, তা একেবারেই উড়িয়ে দিলেন পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপির কোর কমিটির সদস্য রেবতী ত্রিপুরা। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি রাজনীতি ছাড়েননি, রাজনীতিতে ছিলেন, আছেন এবং আগামী দিনেও সক্রিয়ভাবেই থাকবেন। দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে এদিন তিনি এই বার্তাই দেন।

সম্প্রতি আগরতলায় মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল (এমজিএম) উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে পুনরায় যোগদান করেন রেবতী ত্রিপুরা। দীর্ঘদিন পর তাঁর শিক্ষকতায় প্রত্যাবর্তনের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই বিষয়টিকে তাঁর সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করতে শুরু করেন। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ‘আলবিদা রাজনীতি’ ধরনের মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব জল্পনাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি।

রেবতী ত্রিপুরা বলেন, তিনি মূলত একজন গ্র্যান্ট-ইন-এইড বিদ্যালয়ের শিক্ষক। শিক্ষকতার পেশা থেকেই তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন। সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে যোগ দিতে পারেননি। বর্তমানে হাতে কিছুটা সময় থাকায় এবং বিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষকের অভাব থাকায় তিনি পুনরায় নিজের মূল পেশায় ফিরে এসেছেন। এর সঙ্গে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন।

তিনি বলেন, “আমি রাজনীতিতে ছিলাম, আছি এবং আগামী দিনেও থাকব। দলের যে কোনও দায়িত্ব পালনে আমি প্রস্তুত। ২০২৮ সালে দল যদি আমাকে সুযোগ দেয়, তবে সেই সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাঁদের পরামর্শেই তিনি কিছুটা সময় শিক্ষকতার কাজে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি দলের নতুন প্রদেশ সভাপতির নেতৃত্বে কাজ করার বিষয়েও ইতিবাচক বার্তা দেন। তাঁর কথায়, “তিনি বয়সে আমার থেকে ছোট হতে পারেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যখন নিজের থেকে অনেক কম বয়সী নেতাকেও সম্মান দিয়ে নেতৃত্ব মেনে নিতে পারেন, তখন আমাদের কোনও অসুবিধা থাকার প্রশ্নই ওঠে না।”

উল্লেখ্য, রেবতী ত্রিপুরা পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সাংসদ থাকাকালীন তিনি বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিজেপি-র রাজ্য কোর কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

তাঁর শিক্ষকতায় প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে যে রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছিল, এদিনের বক্তব্যে তার কার্যত অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেছেন প্রাক্তন সাংসদ। তিনি স্পষ্ট করেছেন, শিক্ষকতা তাঁর পেশা হলেও রাজনীতি তাঁর জনসেবার ক্ষেত্র, আর দুই দায়িত্বই তিনি সমান গুরুত্ব দিয়েই পালন করতে চান।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *