iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

৯ দফা দাবিতে মহাকরণ অভিযান, পরিবহণ মন্ত্রীর হাতে স্মারকলিপি ক্ষুদ্র পণ্যবাহী যান চালকদের

আগরতলা, ৫ আগস্ট  : দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরে ৯ দফা দাবির ভিত্তিতে বুধবার মহাকরণ অভিযান কর্মসূচি পালন করল ভারতীয় মজদুর সংঘ (বিএমএস) অনুমোদিত ত্রিপুরা ক্ষুদ্র পণ্যবাহী যান চালক সংঘ। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী আগরতলায় শতাধিক ক্ষুদ্র পণ্যবাহী যানচালকের উপস্থিতিতে একটি র‍্যালি বের হয়।

সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিক্রমা করে মহাকরণের উদ্দেশে রওনা দেয়। তবে সার্কিট হাউজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থে মিছিলের অগ্রগতি আটকে দেয়। পরে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ থাকায় সংগঠনের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে মহাকরণে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

প্রতিনিধি দল রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীরসঙ্গে সাক্ষাৎ করে ক্ষুদ্র পণ্যবাহী যান চালকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে ৯ দফা দাবি-সম্বলিত একটি স্মারকলিপি তাঁর হাতে তুলে দেয়। মন্ত্রী বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি গৌতম দেবনাথ জানান, রাজ্যের ক্ষুদ্র পণ্যবাহী যানচালকরা দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশাসনিক ও আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। বিশেষ করে যানবাহনের ফিটনেস সংক্রান্ত জরিমানা মুকুব, অতিরিক্ত বোঝা (ওভারলোড) সংক্রান্ত হয়রানি বন্ধ, চালকদের জন্য উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা এবং পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য দাবিগুলিও দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ক্ষুদ্র পণ্যবাহী যানচালকরা রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও তাঁদের ন্যায্য সমস্যাগুলির সমাধানে এখনও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই আন্দোলনের পথে নামতে হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর গণআন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

এদিনের মহাকরণ অভিযান ও প্রতিবাদ মিছিলে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপুল সংখ্যক ক্ষুদ্র পণ্যবাহী যানচালক অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের উপস্থিতিতে কর্মসূচি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। গোটা কর্মসূচি ঘিরে শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যেই শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন শেষ হয়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *