iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

“রাস্তায় নামার প্রয়োজন নেই”— নিয়োগ নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, একসঙ্গে ৮৬৫ জনের চাকরি

আগরতলা, ১৪ মে  : রাজ্যের শূন্য পদ পূরণ এবং নতুন পদ সৃষ্টি ও তা পূরণ করা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ)  মানিক সাহা। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এর জন্য রাস্তায় নামার প্রয়োজন নেই, কারণ নিয়োগ প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে চলছে।

বৃহস্পতিবার আগরতলায় রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে বিদ্যালয় শিক্ষা দফতর আয়োজিত নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। এই অনুষ্ঠানে মোট ৮৬৫ জন স্নাতকোত্তর (পোস্ট গ্র্যাজুয়েট) শিক্ষকের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় শিক্ষা দফতরের সচিব মিলিন্দ রামটেক, এলিমেন্টারি ও সেকেন্ডারি এডুকেশনের অধিকর্তা রাজীব দত্ত, এসসিইআরটি দফতরের অধিকর্তা এল ডার্লং, টিআরবিটি চেয়ারম্যান প্রত্যুষ রঞ্জন রায় সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। উপস্থিত অতিথিরা যৌথভাবে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় দেখা যায় চাকরির দাবিতে কর্মপ্রার্থীরা রাস্তায় নামেন। তবে সরকার দ্রুত ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে, তাই এ ধরনের আন্দোলনের প্রয়োজন নেই। তিনি জানান, শূন্য পদ পূরণের পাশাপাশি নতুন পদ সৃষ্টির কাজও বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে এবং একাধিক দফতরে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নবনিযুক্ত শিক্ষকদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষা ও পরিশ্রমের ফলেই আজ তাঁরা এই চাকরি পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “এর জন্য কোনও রাজনৈতিক সুপারিশের প্রয়োজন হয়নি, এটি সম্পূর্ণ মেধা ও প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই হয়েছে।”

মুখ্যমন্ত্রী নবনিযুক্তদের উদ্দেশে আরও বলেন, তাঁরা যে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকদের সমাজ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষকেরা আগামী প্রজন্মকে গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতি গঠনে অবদান রাখেন। তাই এই দায়িত্বকে তিনি আধ্যাত্মিক ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবেও উল্লেখ করেন।

তিনি নবনিযুক্ত শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা যে সুযোগ পেয়েছেন তা কেবল চাকরি নয়, এটি একটি দায়িত্ব ও সমাজের প্রতি অঙ্গীকার।”

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *