iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

রবীন্দ্র কাননে কবি প্রণাম, ‘রবীন্দ্রনাথের আদর্শ অনুকরণীয়’ — মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা

আগরতলা, ১০ মে : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে রাজধানী আগরতলায় সার্কিট হাউস সংলগ্ন রবীন্দ্র কাননে শ্রদ্ধা, ভক্তি ও সাংস্কৃতিক আবহে অনুষ্ঠিত হল প্রভাতী ‘কবি প্রণাম’ অনুষ্ঠান। রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শ অনুকরণযোগ্য। তাঁর জীবনদর্শন ও চিন্তাধারাকে পাথেয় করে আমাদের এগিয়ে চলা উচিত।”

শনিবার সকাল থেকেই রবীন্দ্র কানন প্রাঙ্গণে জমে ওঠে রবীন্দ্রজয়ন্তীর উৎসবমুখর পরিবেশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সাংস্কৃতিক কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী, দফতরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিরা বিশ্বকবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাজ্যের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিপুল সংখ্যক শিশু শিল্পী রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। ছোট ছোট শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রভাবনার এক অনন্য আবহ সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিরই নন, সমগ্র বিশ্বের এক শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। সাহিত্য, সংগীত, দর্শন, শিক্ষা, মানবতাবাদ ও দেশপ্রেম— প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়। তিনি ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর রচয়িতা। একই সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’-ও তাঁরই সৃষ্টি। এ থেকেই তাঁর অসামান্য প্রতিভা ও বিশ্বজনীনতার পরিচয় মেলে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে রবীন্দ্রনাথের আদর্শ ও চিন্তাধারা তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, প্রকৃতিপ্রেম এবং দেশপ্রেমের যে শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর সৃষ্টিকর্ম ও আদর্শ আমাদের সমাজকে আলোকিত করতে পারে।

রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষ্যে এদিন রাজধানীসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে কবি প্রণাম, আলোচনা সভা, সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিটি অনুষ্ঠানেই রবি-অনুরাগীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

বিশ্বকবির জন্মজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং তাঁর আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। রবীন্দ্র কাননের এদিনের অনুষ্ঠান সেই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই উজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ হয়ে ওঠে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *