iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

তিনদিনের ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস, পশ্চিম ও সিপাহীজলা জেলায় কমলা সতর্কতা

আগরতলা, ১৩ জুলাই : আগামী ৭২ ঘণ্টার জন্য পশ্চিম ত্রিপুরা ও সিপাহীজলা জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (আইএমডি)।  পাশাপাশি রাজ্যের বাকি জেলাগুলির জন্য জারি করা হয়েছে ভারী বৃষ্টিপাতের হলুদ সতর্কতা।  মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তা এবং বাংলাদেশের উপর অবস্থানকারী একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইএমডি-র আগরতলা কেন্দ্রের অধিকর্তা ডঃ পার্থ রায়।

গত দু’দিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে অব্যাহত রয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ।  এর সঙ্গে বাংলাদেশের উপর সক্রিয় থাকা বায়ুপ্রবাহজনিত ঘূর্ণাবর্ত যুক্ত হওয়ায় বৃষ্টিপাতের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।  ফলে রাজ্যের একাধিক এলাকায় জলমগ্ন পরিস্থিতির পাশাপাশি নদ-নদীর জলস্তরও বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।

আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় সর্বাধিক ১৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।  সিপাহীজলা জেলায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১১৬ মিলিমিটার।  এছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য জেলাগুলিতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে।

সোমবার আইএমডি-র আগরতলা কেন্দ্রের অধিকর্তা ডঃ পার্থ রায় জানান, আগামী তিনদিন রাজ্যে মৌসুমী বায়ু আরও সক্রিয় থাকবে।  এর জেরে পশ্চিম ত্রিপুরা ও সিপাহীজলা জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।  এই পরিস্থিতিতে দুই জেলায় কমলা সতর্কতা এবং অন্যান্য জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।  তিনি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পাশাপাশি নিচু এলাকা ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এদিকে, ভারী বর্ষণকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে রাজ্য প্রশাসন।  সচিবালয় থেকে বিভিন্ন জেলা ও মহকুমা প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।  সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফে পূর্ব নির্ধারিত শেল্টার হাউসগুলিকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।  পাশাপাশি উদ্ধারকারী দল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।  আগামী কয়েকদিন আবহাওয়ার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *