iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

বৈঠকের সময় বদলের খবরই পেলেন না বিধায়ক গোপাল, সভাস্থলে এসে ক্ষোভে বয়কট

আগরতলা, ৩০ সেপ্টেম্বর: বৈঠকের সময়সূচী পরিবর্তন করা হলেও তাঁকে আগে থেকে জানানো হয়নি। নির্ধারিত সময়ে সভাস্থলে গিয়ে বৈঠকের পরিবর্তে কার্যত ফাঁকা হল দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক বয়কট করে চলে গেলেন কংগ্রেস বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের নীতি-নির্ধারণী বৈঠককে ঘিরে বুধবারের এই ঘটনায় প্রশাসনিক কাজের পরিবেশ এবং সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

বুধবার পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল পশ্চিম জেলার জেলা শাসকের কনফারেন্স হলে। বৈঠকের প্রাথমিক সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ১১টায় সভা হওয়ার কথা ছিল বলে জানান বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়। পরে মঙ্গলবার তাঁকে জানানো হয়, বৈঠক দুপুর ১টায় শুরু হবে। সেই অনুযায়ী বুধবার নির্ধারিত সময়ের কিছু আগেই তিনি জেলা শাসকের কনফারেন্স হলে পৌঁছে যান।

কিন্তু সভাস্থলে পৌঁছে তিনি দেখেন, বৈঠকে যোগ দেওয়ার মতো কেউই সেখানে উপস্থিত নেই। এমনকি সংশ্লিষ্ট কোনও কর্মচারীকেও সেখানে দেখতে পাননি বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিধায়ক। পরে তিনি জানতে পারেন, বৈঠক দুপুর ১টায় নয়, বরং ২টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অথচ বৈঠকের সময় আরও এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তাঁকে আগে থেকে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বৈঠকে আর অংশ নেননি গোপাল চন্দ্র রায়। তিনি সভাস্থল থেকেই ফিরে যান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ জেলা পরিষদের বৈঠকের মতো একটি প্রশাসনিক কর্মসূচির সময় পরিবর্তন হলে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের তা আগে জানানো উচিত ছিল। সময়সূচি সম্পর্কে সঠিক তথ্য না থাকায় তাঁকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সভাস্থলে এসে অপেক্ষা করতে হয়েছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে, এদিনের বৈঠকে মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়াও উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সভাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গেছে। শাসকদলের আরও দুই বিধায়কও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। ফলে বৈঠকের সময় নিয়ে বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়কে কেন আগে অবহিত করা হলো না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকের সময়সূচি নিয়ে এমন বিভ্রাটে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের অভিযোগও সামনে এসেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলের একজন নির্বাচিত বিধায়ককে বৈঠকের পরিবর্তিত সময় সম্পর্কে অবহিত না করার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মহলে ‘ওয়ার্ক কালচার’ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সময়, উপস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও সমন্বয় থাকা প্রয়োজন বলে বিভিন্ন মহলের অভিমত। যদিও বৈঠকের সময় পরিবর্তনের বিষয়টি কেন গোপাল চন্দ্র রায়কে যথাসময়ে জানানো হয়নি, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত স্পষ্ট কোনও ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *