iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

ধর্মনগরে কংগ্রেসের বিক্ষোভে উত্তেজনা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি

ধর্মনগর, ২৯ সেপ্টেম্বর : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবিতে দেশজুড়ে কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করল জেলা কংগ্রেস। কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। জেলা শাসকের কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তির ঘটনায় পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এদিন ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস ভবন থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। জেলা কংগ্রেসের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা মিছিলে অংশ নেন। শহরের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে মিছিলটি উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে পৌঁছায়। সেখানে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটকে দেওয়ার চেষ্টা করলে দু’পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

পরে জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে প্রতিবাদ জানান কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেখানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুত্তলিকাও দাহ করা হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ব্যবহার করে বিভিন্ন নির্বাচনে বিরোধীদের ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে হাজার হাজার ভোটারের নাম বেআইনিভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পরই দেশজুড়ে মানুষ প্রতিবাদে সামিল হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আশীষ কুমার সাহা বলেন, তাঁদের প্রধান দাবি হল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। তাঁর আরও অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিতভাবে বিরোধীদের সংসদ থেকে বের করে দিয়ে এমন একটি ‘কালো আইন’ পাস করেছে, যার ফলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা কিংবা তাঁকে গ্রেফতারের পথ কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে একের পর এক রাজ্যে বেআইনি উপায়ে বিজেপি ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে। যদিও কংগ্রেসের এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এদিনের কর্মসূচিতে পাওয়া যায়নি।

ধর্মনগর জেলা কংগ্রেসের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য চয়ন ভট্টাচার্য, ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস সভাপতি নিরুপম দে-সহ জেলা ও প্রদেশ কংগ্রেসের নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *