iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশেই জাতির ঐক্য সুদৃঢ় হয়, দাবি মণিপুরের বিধায়কের

আগরতলা, ২৬ জুলাই : সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা একটি জাতির পরিচয়, ঐতিহ্য এবং ঐক্যের অন্যতম ভিত্তি। তাই জাতিকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মণিপুর বিধানসভার বিধায়ক খোং বালতারাম ইবোমচা সিংহ।

রবিবার আগরতলায় সুকান্ত একাডেমির প্রেক্ষাগৃহে আগরতলা তখেল্লৈ তেংবা লুপ এবং মণিপুরী লিটারারি অ্যান্ড কালচারাল ফোরামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বার্ষিক পুরস্কার প্রদান, বৃত্তি বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত সরকারের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর)-এর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আঞ্চলিক অধিকর্তা ডঃ মুলিশ বিংখৌজাম, ত্রিপুরা মণিপুরী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি এপি বীরমঙ্গল সিংহ, ত্রিপুরা মণিপুরী লিটারারি অ্যান্ড কালচারাল ফোরামের সভাপতি-সহ বিশিষ্ট সমাজসেবী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।

অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী মণিপুরী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাবৃত্তি তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকদের এই উদ্যোগকে শিক্ষার প্রসার ও সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন অতিথিরা।

প্রধান অতিথি খোং বালতারাম ইবোমচা সিংহ বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের বিষয় নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও মূল্যবোধ গঠনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। একটি সমাজকে সুসংহত, সচেতন ও প্রগতিশীল করে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, রাজ্যের সব মৈতিদের একটি অভিন্ন সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যেই এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠান মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে আরও নিবিড় করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে নিজেদের ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে উৎসাহিত করে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের আয়োজন ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পুরস্কার ও বৃত্তি বিতরণ পর্ব শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাজ্যের প্রখ্যাত মণিপুরী শিল্পীরা ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। সুকান্ত একাডেমির প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *