iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

বক্সনগরে যৌথ বাহিনীর বড় সাফল্য, উদ্ধার ৯৭৯ কেজি গাঁজা

বক্সনগর, ১১ জুন : মাদকবিরোধী অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। সিপাহীজলা জেলার যাত্রাপুর থানার পুলিশ, রাজ্য গোয়েন্দা দফতর এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার বক্সনগর মহকুমার সীমান্তবর্তী লেদ্রাবাড়ি ও কালীখলা এলাকা থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে মোট ৯৭৯ কেজি শুকনো গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যার আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই যৌথ বাহিনী অভিযানে নামে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া তল্লাশি অভিযান বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে। অভিযানে যাত্রাপুর থানার পুলিশ, রাজ্য গোয়েন্দা দফতর এবং এসটিএফ-এর একাধিক আধিকারিক ও জওয়ান অংশ নেন।

তল্লাশি চলাকালীন লেদ্রাবাড়ি ও কালীখলা এলাকার বিভিন্ন সন্দেহভাজন স্থানে মাটি খুঁড়ে এবং গোপনে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ২৭টি প্লাস্টিকের ড্রাম এবং ২টি বস্তা উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলি খুলে দেখা যায়, ড্রাম ও বস্তার ভিতরে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা মজুত করে রাখা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের ওজন করে দেখা যায়, মোট পরিমাণ ৯৭৯ কেজি।

তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, সীমান্তবর্তী এলাকাকে ব্যবহার করে একটি সক্রিয় মাদক পাচারচক্র দীর্ঘদিন ধরে এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা মজুত করে রেখেছিল। সুযোগ বুঝে এগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কিংবা সীমান্ত পেরিয়ে পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তবে অভিযানের খবর আগাম পেয়ে পাচারচক্রের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজা কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং এর পেছনে কোনও আন্তঃরাজ্য বা আন্তর্জাতিক পাচারচক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ প্রশাসনের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় এটি অন্যতম বৃহৎ গাঁজা উদ্ধারের ঘটনা। এই অভিযানের ফলে সক্রিয় মাদক পাচারচক্র বড় ধাক্কা খেয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এবং সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রুখতে আগামী দিনেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

যৌথ বাহিনীর এই সাফল্যে এলাকাবাসীর মধ্যেও সন্তোষের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক কারবারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে পাচারচক্রের দৌরাত্ম্য কমবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *