iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

বক্সনগরে বিজেপি নেত্রীর বাড়িতে ভাঙচুর ঘিরে চাঞ্চল্য, রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে

বক্সনগর, ২২ এপ্রিল : সিপাহীজলা জেলার বক্সনগর বিধানসভার অন্তর্গত দয়ালপাড়া টিটিএএডিসি ভিলেজে বিজেপি নেত্রী মহামায়া দেববর্মার বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

অভিযোগ অনুযায়ী, শুধুমাত্র বিজেপি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণেই গত প্রায় দশ দিন ধরে মহামায়া দেববর্মা ও তাঁর স্বামী নিরাপত্তার অভাবে জঙ্গলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। বুধবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বাড়িতে আসতে পারেন—এমন খবর পেয়ে তাঁরা জঙ্গল থেকে বেরিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু বাড়িতে এসে তাঁরা দেখতে পান, ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ভেতরের সমস্ত আসবাবপত্র ও জিনিসপত্র লণ্ডভণ্ড অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এমনকি বাড়ির ভেতরে থাকা তাঁদের ছোট মুদির দোকানের মালপত্রও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন মহামায়া দেববর্মা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “বিজেপি করেছি, সেটাই কি আমার অপরাধ?” তাঁর সরাসরি অভিযোগ, তিপ্রা মথা সমর্থিত দুষ্কৃতীরাই এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে।

অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। শাসক বিজেপি-র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সিপিএম ও তিপ্রা মথার একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়ে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ককে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে। বিজেপি নেতাদের যুক্তি, মহামায়ার বাড়ির চারপাশে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি বাড়ি রয়েছে, যেগুলি তিপ্রা মথা সমর্থকদের বলে পরিচিত—সেই এলাকায় শাসক দলের পক্ষে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

পাশাপাশি বিজেপি-র পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ও টিএসআর মোতায়েন ছিল। সেই পরিস্থিতিতে এমন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটানো নিয়েও তাঁরা সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে, তিপ্রা মথার পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে শাসক দলের কর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে মহামায়ার বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে, যাতে রাজনৈতিকভাবে সহানুভূতি আদায় করা যায়।

এদিকে, ঘটনার পর স্থানীয় বিধায়ক বিষয়টি জানতে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-র সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে জানা গেছে। তবে এই বিষয়টিকেও ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া না মিললেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *