এছাড়া চারজন সামরিক কমান্ডার এবং সাবেক পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধেও পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে অ্যানেজ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এটি করা হচ্ছে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন অ্যানেজ। মোরালেস তখন মেক্সিকো চলে যান। বলিভিয়ার এক মন্ত্রী টুইটার এবং ফেইসবুকে লিখেছেন, ‘বলিভিয়ান নাগরিকদের জানাতে চাই যে অ্যানেজ এখন পুলিশের হাতে।
’ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কথা শুনে অ্যানেজ আগে এভাবে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান, ‘রাজনৈতিক প্রতারণা শুরু হয়েছে।’ অ্যানেজ যেভাবে ক্ষমতায় আসেন: ২০১৯ সালের অক্টোবরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইভো মোরালেসের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। তার বিরুদ্ধে বলিভিয়ায় বিক্ষোভ শুরু হয়। টানা তিন সপ্তাহের বিক্ষোভে হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রথমে তার প্রতি অনুগত থাকলেও পরে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে মোরালেস পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘অভ্যুত্থানের’ শিকার হয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এর পরপরই মেক্সিকো তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার আশ্বাস দেয়। মোরালেস পদত্যাগ করার পর তার সরকারের অনেক মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। তখন তাৎক্ষণিকভাবে বলিভিয়ার দায়িত্ব নেওয়ার মতো কেউ না থাকায় সাময়িক নেতৃত্বশূন্যতা তৈরি হয়। এরপর সুযোগ বুঝে সাবেক ডেপুটি সিনেট নেতা অ্যানেজ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নেন।