iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

ওয়াংচুকের অনশন ভাঙলেও থামেনি ছাত্র বিক্ষোভ, সরগরম সার্কিট হাউস

আগরতলা, ২৪ জুলাই : লাদাখের পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলনের উত্তাপ কমেনি ত্রিপুরায়। বরং শুক্রবার রাজধানী আগরতলায় সার্কিট হাউস এলাকায় আন্দোলন আরও জোরালো রূপ নেয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলা প্রতিবাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীরাও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন।

শুক্রবার সকাল থেকেই সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। হাতে বিভিন্ন দাবি-সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে এবং “বোল রে সাথী, হল্লাবোল” স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা আন্দোলনস্থল। প্রতিবাদকারীদের দাবি, শুধুমাত্র আশ্বাসে নয়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দৃশ্যমান ফলাফল দেখতে চান তাঁরা।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া জনৈক ছাত্রী বলেন, “সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার করেছেন ঠিকই, কিন্তু আমাদের মূল দাবি এখনও পূরণ হয়নি। বলা হচ্ছে, পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা আর কোনও প্রতিশ্রুতি চাই না, চাই বাস্তব পদক্ষেপ। তাই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

প্রতিবাদকারীরা জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনায় লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তাই এই ইস্যুতে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে তাল মিলিয়েই ত্রিপুরার ছাত্রসমাজও নিজেদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে, এই আন্দোলনকে ঘিরে রাজ্যের বিভিন্ন মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। আন্দোলনের পেছনে কোনও সংগঠন বা নির্দিষ্ট নেতৃত্ব রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজ্য গোয়েন্দা শাখাও বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এ বিষয়ে প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, আন্দোলনের ব্যাপ্তি ও ছাত্রদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে এবং সরকার এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্যের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *