iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1="3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0" frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe

আগরতলা পুর নিগমের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে আধুনিক অফিসের ভিত্তিপ্রস্তর, বরাদ্দ ৪৩.৩০ লক্ষ

আগরতলা, ৫ অক্টোবর : নাগরিক পরিষেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও নাগরিকবান্ধব করে তুলতে আগরতলা পুর নিগমের প্রতিটি ওয়ার্ডে আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার পুরনো জেল সংলগ্ন এলাকায় আগরতলা পুর নিগমের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন ওয়ার্ড অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ভূমিপূজা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, ডেপুটি মেয়র মনিকা দাস দত্ত, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর তথা মেয়র-ইন-কাউন্সিল হিমানি দেববর্মা-সহ পুর নিগমের আধিকারিক, কর্মী এবং জনপ্রতিনিধিরা।

পুর নিগম সূত্রে জানা গেছে, আগরতলা পুর নিগমের অধীন ৫১টি ওয়ার্ডেই ধাপে ধাপে আধুনিক ওয়ার্ড অফিস গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পুরনো ও জরাজীর্ণ অফিসগুলির পরিবর্তে নতুন ও সুপরিকল্পিত ভবন নির্মাণের মাধ্যমে ওয়ার্ডভিত্তিক নাগরিক পরিষেবাকে আরও সুসংহত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর ফলে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা গ্রহণের জন্য দূরে পুর নিগমের মূল কার্যালয়ে ছুটতে হবে না। নিজ নিজ ওয়ার্ডেই একাধিক পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ইতিমধ্যেই পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডেই নতুন ওয়ার্ড অফিস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ওয়ার্ড অফিসের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। বাকি ওয়ার্ডগুলিতেও পর্যায়ক্রমে নির্মাণকাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পুর নিগমের পক্ষ থেকে আধুনিক ওয়ার্ড অফিসগুলিতে নাগরিক পরিষেবার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন অফিস ভবন নির্মাণের জন্য প্রায় ৪৩.৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। নির্ধারিত অর্থে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ভবন নির্মাণ করা হবে। নতুন অফিস চালু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা ওয়ার্ডভিত্তিক বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা আরও সহজে ও দ্রুততার সঙ্গে গ্রহণ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পুর নিগমের এই উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও গতিশীল হবে, অন্যদিকে নাগরিকদের সঙ্গে পুর নিগমের সরাসরি যোগাযোগও আরও বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয় স্তরে নাগরিক সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের ক্ষেত্রেও নতুন ওয়ার্ড অফিসগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *